About Us


মোহাম্মদ শামীমুল ইসলাম এর

বায়োগ্রাফি

মোহাম্মদ শামীমুল ইসলাম ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০ সালে বগুড়া জেলায় জন্ম গ্রহন করেন।তিনি জগন্নাথ বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে গনিতে স্নাতকোত্তর এবং IIUC থেকে এম বি এ সম্পূর্ণ করেন। ২০০৩ এ Readymade Garments এ চাকুরী জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে Buying House প্রতিষ্ঠা করেন।

 

স্ত্রীর প্রেগনেন্সির  সময় থেকে নিরাপদ খাবারের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। সুস্থ প্রজম্মর প্রত্যাশায় অবিরাম ছুটে চলেন কেমিক্যাল মুক্ত নিৰ্ভেজাল খাবারের পেছনে।  যোগাযোগ করতে থাকেন দেশের বিভন্ন অঞ্চলে, পরিচিত জনের সাথে যেখানেই ভেজাল মুক্ত খাবারের সন্ধান পেয়েছেন।  নিরাপদ খাবার সংগ্রহের জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম ও বেগ পেতে হয়।  কোনো অঞ্চলে নিরাপদ সবজি/ দুধ / ফলমূল / মুরগীর সন্ধান পাওয়া গেলেও লোকবলের অভাবে ও পরিবহন সল্পতার কারণে ঢাকায় আনা খুব কঠিন ছিল। এই নিরাপদ খাবারের জন্য উৎপাদন ব্যবস্তা তেমন ভাবে কোথাও চোখে পড়েনি।  যার ফলে কৃষক এবং গ্রহস্থের দ্বারস্থ হয়ে তা সংগ্রহ করতেন।  তিনি স্বপ্ন দেখেন সবার জন্য নিরাপদ খাবারের। তা থেকেই মূলত এই উদ্যোগ।

 

২০১৭ সালে নিরাপদ আম উৎপাদনের টেকনোলজি  " d«zU ব্যাগ '' আমদানি সরবরাহ শুরু করেন । এই সুবাদে চাষীদের সংস্পর্শে আসার এবং আম উৎপাদন ব্যাপারে জানা অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হয়। পুরো উপাদান প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে কীটনাশক ব্যবহার তাকে উদ্বিগ্ন করে।  ফলে নিরাপদ আম উৎপাদনে উদ্যোগ গ্রহণ করেন । ২০১৮ সাল থেকে কৃষক পর্যায়ে সেমিনার করে ব্যাগিং পদ্ধতির মাধ্যমে নিরাপদ আম উৎপাদনে কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং উৎসাহ প্রদান শুরু করেন । প্রক্রিয়ায় আম গবেষক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে একযোগে কাজ করেন।  এছাড়া CIDAIS SWISS Contact  এর সাথে আম উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরন ও বিপনন নিয়ে কাজ করেন। বেশ কিছু সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ গ্রহন করেন। ২০১৮ সালে d«zU ব্যাগ কে কৃষি পণ্য হিসেবে তালিকা ভুক্ত করার জন্য আম গবেষক কে সঙ্গে নিয়ে NBR Chairman কে অনুরোধ করেন এবং Fruit Bag এর উপর Presentation এর ব্যবস্থা করেন।

 

২০১৯ সালে নিজেই নিরাপদ আম উৎপাদনে উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং কিছু বাগানের সাথে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং এর মাধ্যমে নিরাপদ আম উৎপাদনে সরাসরি সংশ্লিষ্ট হন। নিরাপদ আম উৎপাদনের ক্ষেত্রে নিজস্ব ব্র্যান্ড ''মুন d«zU ব্যাগ '' ব্যবহার করেন। শুধু নিরাপদ আম উৎপাদন করেই থেমে থাকেননি বরং এই আম বাজারজাত করেন এবং ব্যাগিং আম কে পরিচিত মহলে পৌঁছে দেন।

 

সম্প্রতি ব্যাগিং আমকে ব্যাপক ভাবে মানুষের মাঝে তুলে ধরতে এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়া , -কমার্স সাইট , ইউটিউব & প্রিন্ট মিডিয়াতে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। -কমার্স  সাইট : www.mun-bd.com  এবং  ফেইসবুক পেজ :  www.facebook.com/munbdcom  এর মাধ্যমে বিপণন এবং সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ ইতিমধ্যে চলছে।

 

ই-কমার্স সাইটে “ব্লগ” ও “ভিডিও” সেকশনে ব্যাগিং টেকনোলজি বিস্তারিত তুলে ধরেছেন এবং ব্যাগিং আমের উৎপাদন প্রক্রিয়ার সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছেন ।

 

ব্যাগিং আম সম্মন্ধে দেশবাসীকে অধিকতর অবহিত করার  জন্য প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার অগ্রণী ভুমিকার প্রয়োজন বলে মনে করেন এবং এ ব্যাপারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ।

 

নিরাপদ আমকে সর্বস্তরে পৌছিয়ে দেয়ার সাথে সাথে আরও   কিছু নিরাপদ খাবার ভোক্তাদের কাছে পৌছানোর লক্ষ্যে কাজকরে যাচ্ছেন। যার মধ্যে চাল, লাল আটা, ডাল , লাল আলু, সরিষার তৈল, আখের গুড়   খেজুরের গুড় খুব শীঘ্রই আমাদের নিরাপদ খাবারের তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে। নিজের এবং পরিবারের জন্য যে নিরাপদ খাবার খেয়ে থাকেন  ঠিক সেই সমমানের খাদ্যদ্রব্য ভোক্তাদের মধ্যে পৌঁছানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

Some text some message..